Posts

Showing posts from July, 2022

Oppo এবং OnePlus Banned: বড় ধাক্কা! নিষিদ্ধ হল দুই চিনা কোম্পানির স্মার্টফোন

Image
    ফের একবার মুখ থুবড়ে পড়ল আরও দুটি চিনা স্মার্টফোন কোম্পানি। এবার জার্মানিতে (Germany) আইনি সমস্যার সম্মুখীন Oppo ও OnePlus। Nokiamob.net ওয়েবসাইটে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী ম্যানহাইম স্থানীয় আদালত Nokia -র পক্ষে রায় রিয়েছে। Oppo-র বিরুদ্ধে পেটেন্ট আইন ভঙ্গের অভিযোগ করেছিল Nokia। Oppo ছাড়াও চিনা কম্পানি OnePlus -এর বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ তুলেছিল ফিনল্যান্ডের কোম্পানিটি। এই দুই সংস্থার বিরুদ্ধেই আদালতে জয় পেয়েছে Nokia। 2021 সালে এই দুই চিনা সংস্থার সঙ্গে আলোচনায় সমাধান না পেয়ে চারটি দেশে আইনি পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল Nokia। আদালতের সিদ্ধান্তে জার্মানিতে Oppo ও OnePlus ফোন বিক্রি নিষিদ্ধ হয়েছে। এর ফলে জার্মানিতে Oppo ও OnePlus ফোন বিক্রি করা যাবে না। ফলে জার্মানরা এই দুই ব্র্যান্ডের স্মার্টফোন ব্যবহার থেকে বঞ্চিত হবেন। আপাতত প্রথম মামলায় জয়ী হয়েছে Nokia। যদিও এই দুই কোম্পানির মধ্যে লম্বা আইনি লড়াই চলতে থাকবে। পরবর্তী শুনানি না হওয়া পর্যন্ত Oppo ও OnePlus ফোন বিক্রি বন্ধ থাকবে জার্মানিতে। অর্থাৎ পরবর্তী মামলার রায় Oppo ও OnePlus -এর পক্ষে এলে সেদেশে ফের ফোন বিক্রি করতে পারবে চি...

ঢাবির স্বপ্ন পূরণ হলো না ৫৫ বছর বয়সের বেলায়েতের

Image
বেলায়েত শেখ  ৫৫ বছর বয়সে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া আলোচিত সেই বেলায়েত শেখ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি। মঙ্গলবার (৫ জুলাই) দুপুরে ‘ঘ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ হয়েছে। ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান এ ফলাফল ঘোষণা করেন। জাগো নিউজের পক্ষ থেকে তার ফলাফল জানতে এসএমএস করা হলে সেখানে তার ফলাফল অকৃতকার্য আসে। বহুনির্বাচনী পরীক্ষায় তিনি বাংলায় ২, ইংরেজিতে ২.৭৫, সাধারণ জ্ঞানে ৩.২৫ সহ মোট ৮ নম্বর পেয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বহুনির্বাচনী অংশে পাস নম্বরের কোটাও পূরণ করতে পারেননি তিনি। ফলে তার খাতা লিখিত অংশের দ্বিতীয় ধাপে যায়নি। পরীক্ষায় তার মোট নম্বর ২৬.০২। এর মধ্যে ১৮.০২ এইচএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের নম্বর। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে বহুনির্বাচনী পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর। এর আগে গত ১১ জুন ভর্তি পরীক্ষা দিতে এসে বেলায়েত সাংবাদিকদের বলেন, ১৯৮৩ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলাম। বাবার অসুস্থতা এবং অভাবের টানাপোড়নে পরীক্ষা দিতে পারিনি। ফরম পূরণের টাকা দিয়ে বাবার চিকিৎসা করাতে হয়েছিল। এরপর ১৯৮৮ সালে পরীক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু বন্যা...